আমাদের ভাগ্না শুধু নয়, কুলাউড়ার (কটারকোনা) গর্ব।আমাদেরও গর্ব। সে আপাদমস্তক একজন শিল্পী। গুণী শিল্পী। শিল্পের সকল ক্ষেত্রে তাঁর বিচরণ।তাঁর স্ত্রী উর্মিলাও তেমনি শৈল্পিক একজন মানুষ। গান তাঁর প্রাণ।গানের মধ্যেই তাঁর জীবন-যাপন।এমন যদি হতো আমি পাখির মতো- রাহুল তাঁর গানের মতোই আকাশে উড়া এক সুরের পাখি। ব্যক্তি জীবনে সে অত্যন্ত বিনয়ী,সাধারণ জীবন যাপনে অভ্যস্ত, স্বাধীনচেতা,আপন ভোলা এক মানুষ। বাংলা সংস্কৃতিকে বিশ্বের সম্মুখে সঠিক ভাবে তুলে ধরার প্রয়াসে সে সফল এবং এই প্রয়াসটুকু তাঁর আগামীতে আরও সমৃদ্ধ হবে বলে বিশ্বাস করি।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মেক্রো’র হাতে আমাদের দেশের একতারা দেখে মনেই হচ্ছে- এটাই হওয়া উচিত ছিল। শিল্পের কোন রাজা- রানী নেই। কোন ব্যারিকেড নেই।
চমৎকার একটা ভালোবাসাময় মুহূর্ত! রাহুলের বাড়ীতে ফরাসী প্রেসিডেন্ট পুরো ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট বাঙালিয়ানা সংস্কৃতিতে ডুবে ছিলেন। এ এক দারুণ আনন্দের দৃশ্য! আমরা তোমাদের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছি।
সাথে আমাদের ফ্রান্স বাঙালি কমিউনিটির গর্ব, আমাদের অত্যন্ত স্নেহের রাব্বানী খান কৌশিক এই রাষ্ট্রীয় যাত্রায় নিজের দেশে ফরাসী প্রেসিডেন্টের সফরসঙ্গী হিসেবে অংশগ্রহণ করায় পুরো বিষয়টি অতি মাত্রায় প্রিয় এবং অসাধারণ হয়ে উঠেছে।
সারা বিশ্বের বিস্ময় হোক বাংলা সংস্কৃতি!
বাংলা গানের জয় হোক!
অনেক অনেক শুভকামনা রাহুল-উর্মিলা ও তোতার জন্য।
