সিলেটের গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ আশীষ দে। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি লেখক, গীতিকার এবং সমাজকর্মী হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় রয়েছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও জনস্বার্থমূলক ইস্যুতে তার লেখনী এবং ভূমিকা সিলেটের সচেতন মহলে সমাদৃত।
সাংবাদিকতা পেশায় আশীষ দে মূলত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্য পরিচিত। বিশেষ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার এবং ভূমি রক্ষা সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে তিনি নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছেন। এর মধ্যে তারাপুর দেবোত্তর সম্পত্তি এবং মজুমদার টিলা সংক্রান্ত বিষয়ে তার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনগুলো স্থানীয় পর্যায়ে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি বিভিন্ন সময় প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন, তবুও নিজ অবস্থানে অটল থেকে কাজ চালিয়ে গেছেন।
সাংবাদিকতার বাইরেও তিনি সৃজনশীল ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নিবেদিত। তিনি ‘সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি চিহ্ন’ শীর্ষক গ্রন্থ রচনার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের স্থানীয় ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছেন। এছাড়া, ‘কলম সাহিত্য পরিষদ’ ও ‘শ্রীহট্ট লোকগীতি পরিষদ’-এর মাধ্যমে বাংলার লোকসংস্কৃতি ও সাহিত্য চর্চায় তিনি অবদান রাখছেন। মূলত নিজের কাজের মাধ্যমেই তিনি সিলেটের সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন।
লেখক: শ্রীকান্তবর্ধন, সংস্কৃতিকর্মী ,লিসবন, পর্তুগাল
