সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন’ প্রণয়নে হিন্দু পরিষদের পদযাত্রা কর্মসূচী ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ l

Spread the love

ডেস্ক রিপোর্ট :
অদ্য ০৩ অক্টোবর ২০২৩ খ্রিঃ তারিখ মঙ্গলবার বিকাল ২.০০ ঘটিকায় বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃত্বে বর্তমানে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার মোতাবেক “সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন” প্রণয়নের দাবীতে জাতীয় প্রেসক্লাব চত্ত্বর, ঢাকা হতে আরম্ভ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, তেজগাঁও, ঢাকা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা এবং স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের মাননীয় সভাপতি দীপংকর শিকদার দীপুর সভাপতিত্বে উক্ত শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা এবং স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি অনুপ কুমার দত্ত, গৌরাঙ্গ মন্ডল, ধ্রুবপদ পাল, সাধারণ সম্পাদক সাজন কুমার মিশ্র, মুখপাত্র সুমন কুমার রায়, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক অ্যাড. দুর্জয় দে সঞ্জয়, অ্যাড. বাসুদেব গুহ, অ্যাড.পিসি হালদার, নমিতা বিশ্বাস, বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র পরিষদ’সহ দেশের সাধারণ জনগণ সমবেত হয়ে উক্ত পদযাত্রা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

সভাপতি দীপংকর শিকদার দীপু তাঁর এক বিবৃতিতে জানান “বাংলাদেশ নামক অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে একদল কুচক্রী মহলের ইন্দনে যেভাবে সংখ্যালঘুদের উপর যেভাবে নির্যাতন, নিপীড়ন বেড়েছে তা যে কোন অবস্থার জন্য হুমকীস্বরূপ। দেশের সংখ্যালঘুদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়াছে, একজন সংখ্যালঘূ হিসেবে আর সইতে পারছি না। যদির মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কেউ যেন সংখ্যালঘু মনে নিজেদের ছোট না করেন, কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্যি যে, আমাদের উপর নির্যাতন নিপিড়ন পাকিস্থানেও হয় কিনা জানতে ইচ্ছে করে! তাই বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রæতি মোতাবেক অনতিবিলম্বে “সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন” প্রণয়নের জোর দাবী জানাচ্ছি।

সাধারণ সম্পাদক সাজন কুমার মিশ্র বলেন, দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবীগুলো, নিপিড়নের চিত্রগুলো যেন কেবল পত্রিকার পাতার মধ্যে সীমাবদ্ধ। বিচার ব্যবস্থা দুর্বলতার জন্য আজ স্বাধীন দেশে হিন্দুরা পরাধীন। হিন্দুরা অধিকারচ্যূত, অসহায়, সম্বলহীন। তাই রাজপথে এতো আন্দোলন করা হলেও হিন্দুদের দাবীগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কান পর্যন্ত পৌছায় না। তাই আমাদের নির্যাতনমুক্ত সুন্দর সমাজ দান করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে করজোরে অনুরোধ করছি। একই সাথে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রæতি মোতাবেক অনতিবিলম্বে “সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন” প্রণয়নের জোর দাবী জানাচ্ছি।

মুখপাত্র সুমন কুমার রায় তাঁর বক্তব্য বলেন, “হিন্দুদের উপর একের পর এক হামলা, নির্যাতন, দলবেঁেধ সাম্প্রদায়িক আক্রমণ, হিন্দু বাড়ীঘর ভাংচুর-লুটপাঠ, মঠ মন্দির ভাংচুর, দেশত্যাগে ভয়ভীতি প্রদর্শন’সহ মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার, চাকুরীচ্যুত প্রভৃতি যেন এক নিত্য ঘটনা। শুধুমাত্র এদেশের হিন্দু সংখ্যায় কম বলে এমন নির্যানতন সইতে হচ্ছে? এটা একটা অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের জন্য হুমকীস্বরূপ। অনতিবিলম্বে প্রত্যেকটি ঘটনার আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিতসহ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার মোতাবেক সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের আহবান জানান।

শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত পদযাত্রায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার মোতাবেক “সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন” প্রণয়নের দাবী ও এতদবিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।